


নেত্রকোনায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংঘটিত এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগ্রাম। –
মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
অধিকার আদায়ে বীরদর্পে গর্জে ওঠা আর আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া বাঙ্গালি জাতির পুরানো ইতিহাস। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে —
বাংলা একাডেমী ও একুশে পদক প্রাপ্ত কথা সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকদাদ চৌধুরী
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকদাদ চৌধুরী ছিলেন একাধারে একজন —
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর- শৈলজারঞ্জন মজুমদার-দত্ত উচ্চ বিদ্যালয় অতঃপর নেত্রকোণা
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
গারো পাহাড়ের পাদদেশে নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও মনোরম পরিবেশ, হাওর বাওর খাল বিল নদী নালায় ভরপুর, মহুয়া মলুয়া স্মৃতি বিজড়িত ——-
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের একটি অমূল্য দলিল
বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ আহমেদ কোরায়শী
বিচ্ছিন্ন বাঙালি, বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ, এর সার্বভৌমত্ব,- তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রদানে
অজানা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ
অমর রায় চৌধুরী (পশ্চিমবঙ্গ, ভারত)
সহস্রাধিক রেখাচিত্র, শতাধিক সংগীত, অর্ধশতাধিক গ্রন্থ এবং একটি পরিপূর্ণ রবীন্দ্রনাথ যিনি আমাদের উপহার দিয়েছেন,
বিরহী বাউল উকিল মুন্সি
সঞ্জয় সরকার
ছিলেন মসজিদের ইমাম। মুসুল্লিদের নামাজ পড়াতেন। কুরআন-কেতাব পড়তেন। জানাজায় ইমামতি করতেন। আবার একই সঙ্গে বাউল —–
একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক ভাষা সৈনিক সানাউল্লাহ নূরী
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের ইতিহাসে জনাব সানাউল্লাহ নূরীর[1] অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি ছিলেন ভাষা সৈনিক।———
নারী অধিকার আন্দোলনের অগ্রপথিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানম
বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানম[১], বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের শ্রেষ্ঠ অগ্রদূত, পুরোধা ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ——————
নজরুলের ‘হয়ে উঠা’-গোড়ার কথা
স্বপন পাল
রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘আমার সমস্ত শরীর মন হৃদয় নিয়ে আমি কেবলই হয়ে উঠতে থাকব। ছাড়তে-ছাড়তে বাড়তে-বাড়তে মরতে-মরতে বাঁচতে——
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর(অব:) এম এ মোত্তালিব
আহমেদ সামির
সাব-সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর(অব:) এম এ মোত্তালিব নেত্রকোনা সদর থানার দরিজাগী গ্রামে ১৯৩৬ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বরে নানার বাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন।–
প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ সন্দর্শনঃ বিদ্রুপের আড়ালে দীপ্তিময় মননশীলতা
তিতাস মিয়া
হিউমানিজম বা মানবতাবাদ কথাটির পিছনে পাঁচশো এর অধিক বছরের ইতিহাস আছে। রেনেসাঁর পূর্বে বিশ্বব্যাপী ভাবুকরা ডিভানইকে—
শহীদ বুদ্ধিজীবি নেত্রকোনা
গবেষক ইন্জীনিয়ার এম কে জামান
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের শেষের দিকে দেশের শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিকসহ নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পেশাজীবীদের টার্গেট করে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় মিত্ররা। ——
বাউল কবি রশিদ উদ্দিন: বাউলদের বাউল
অধ্যাপক ননী গোপাল সরকার
গ্রামের নাম বাহিরচাপড়া। বর্তমানে নেত্রকোণা পৌরসভার একটি এলাকা। রাজুর বাজার থেকে হেঁটে কিছুদূর এগোলেই সেই পুকুর। পাড়ে তার সাজানো মেহগনি গাছ।
নেত্রকোণার প্রবন্ধ-সাহিত্য
রাখাল বিশ্বাস
লোকসাহিত্য মৌখিক ধারার সাহিত্য যা অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমান অভিজ্ঞতাকে আশ্রয় করে রচিত। একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিমন্ডলে একটি সংহত সমাজমানস থেকে এর উদ্ভব।
বাউলের গানে যার বন্দনা
মো: রফিকুল ইসলাম
ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দু’লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আর তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শত শহীদ বুদ্ধিজীবী।
পরশমণি জ্বলে
গোলাম ফারুক খান
‘…মানুষের ভিতরে মানুষ, পরশমণি জ্বলে-
অন্তরে অনন্ত লীলা, দেখবে আত্মসাধন হলে।——
কবি হেলাল হাফিজের কালজয়ী প্রেম
টি. এম. সারোয়ার জাহান আরেফিন
আজ আশা নেই, ভালবাসা নেই, তবু চিরাচরিত —-
নেত্রকোণা জেলার পর্যটন: সমস্যা ও সম্ভাবনা
মো. ইকবাল হাসান তপু
পর্যটন শব্দটির সমার্থক বেশ কয়েকটি শব্দ—-
নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়
হেলাল হাফিজ
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
শুধু তোমার জন্য
নির্মলেন্দু গুণ
কতবার যে আমি তোমাকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত, সে কথা ঈশ্বর জানেন।
বিজয়ের স্বপ্নে দেখা ৭১
মৃনাল কান্তি চক্রবর্তী
ঘড়ির কাটা সকাল ৭টা ছুই ছুই।পূর্ব আকাশে শীতের কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের লাল —————–
বীরাঙ্গনা মিরাসের মা
আনোয়ার হাসান
“ এটা এমন কোনো কঠিন বিষয় না। বুড়াপীরের মাজারে গেলেই মিরাসের মা-কে পাওয়া যায়। ———————–
একাত্তরের স্মৃতিকথা
শিল্পী ভট্টাচার্য
৭১’এর রক্তাক্ত ইতিহাস বহন করছে বেশির ভাগ পরিবার কিন্তু সবার কথা আমরা জানিনা। আমাদের —————–
চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ
আবু আশরাফী
মা এখানে-ওখানে ভিক্ষা করে, খাবার সংগ্রহ করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। দুই ভাই ছুটে চলে কোথায় লঙ্গরখানা আছে। এক জায়গায় পেয়ে গেল কিছু আটা তা নিয়েই বাড়ি ফিরে।
